প্রতিটি শিশুর আছে শিক্ষা গ্রহণের অধিকার


একটি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য বিদ্যালয়

শিশুরা ভীষণ কৌতুহলী, কর্মঠ এবং প্রতিভা সম্পন্ন। হ্যা, সব শিশুরাই! তা সত্বেও, বাংলাদেশের প্রায় ৩০ লক্ষ ছেলে মেয়েরা তাদের দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এরা দরিদ্র পরিবারের সন্তান।

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত দারিদ্র্য

অনেক শিশুরাই লেখাপড়া করার সুযোগ পায় না। হাজারো পরিবার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাস করে, অনেকেই বাস করে চর এলকায় এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রধান নদী বহুল অঞ্চলে, তাদেরকে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবলে পড়ে কষ্ট ভোগ করতে হয়, যেমন: বন্যা। এখানে স্কুলগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এবং সেখানে পৌঁছানোও বেশ কঠিন। এছাড়াও, অনেক শিশুরাই দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করে, তাই তারা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাছাড়া আদিবাসী গোষ্ঠীর শিশুরা, ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু পরিবারের সন্তানেরা অথবা শারিরীক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী শিশুরাও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এসব শিশুদের বাবা-মায়েরা দরিদ্র আর বংশানুক্রমে তাদের সন্তানও এই দারিদ্র্যচক্রের মধ্যে আটকে যায়। অনেক মেয়ে শিশু বাল্যবিবাহের কারণে লেখাপড়া করার সুযোগ হারায়।

দারিদ্র্য ও অবিচার মোচনে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ

সরকারি ও বেসরকারি দাতাদের সমর্থন নিয়ে নেট্জ এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গুলো উদ্যোগ নিয়েছে দারিদ্র্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার। আর তাই সবচেয়ে কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে দরিদ্র পরিবারের সামাজিক, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখে উচ্চমানের প্রাথমিক ও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ার জন্য নেটস প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সেজন্যই, নেটজ এর লক্ষ্য অতি দরিদ্র এবং অবহেলিত গোষ্ঠীর পরিবারের শিশুরা। এর মূল কথা হলো এসব অতি দরিদ্র এবং অবহেলিত গোষ্ঠীর পরিবারের শিশুদেরকে সমান শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। আর তাদের ভালো ভবিষ্যতের লক্ষ্যে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে হবে। বাংলাদেশ এই সব প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে শিশুরা সহজে প্রাথমিক স্কুল পায় না; পায় না লিখতে ও পড়তে শেখার সুযোগ, এমনি তারা হিসাব ও গণনা শেখার সুযোগও পায় না, নেটজ সেখানে আনুষ্ঠানিক এবং উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় তৈরী করছে।

আর সেসব বিদ্যালয় থেকে শতকরা ৯৫ ভাগের উপরে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেছে।

শিক্ষাগ্রহণের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করণ

নেটজ সহায়তা প্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ঐসব গ্রামাঞ্চলে মানসম্পন্ন শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে। এখানে প্রতি শ্রেনীতে ৩০জন গ্রামের ছেলে মেয়ে বাংলা, ইংরেজী, অংক, সমাজ-বিজ্ঞান ও ধর্মশিক্ষা পাচ্ছে। যোগ্য শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে এইসব শিশুদের বিশেষ শিক্ষার চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। এই স্কুলগুলো সপ্তাহে ৬ দিন চলে। সব শিশুরা বছরে দুবার স্বাস্থ্য শিবিরে অংশগ্রহণ করে। মঙ্গার সময়ে নভেম্বর মাসে এই স্কুলগুলোতে দুপুরে শিশুদের জন্য খাবার সরবরাহ করা হয়।

এই পরিবর্তনের একজন প্রতিনিধি হন - একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য!

এই শিশুদের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান উপহারের দাম একটি কম্পিউটার গেমের চাইতেও কম। মাত্র ৪৬ ইউরো বা ৪৬০ টাকা দান করে আপনি একটি শিশুকে সারা বছর স্কুলে যাবার সুযোগ করে দিতে পারেন।

একজন শিশুর জন্য অনুদান = চারজন শিশুর কাছে পৌঁছাতে পারে
আপনি যদি একটি শিশুর স্কুলে যাবার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন, তাহলে নেটজ আপনাকে নিশ্চয়তা দেয় যে আরো তিনটি শিশু স্কুলে গিয়ে শিখতে পারবে কিভাবে লিখতে হয়, পড়তে হয় এবং গণনা করতে হয়। এটা সম্ভব কারণ জার্মানির উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি তহবিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

NETZ e.V. Bangladesch
Volksbank Mittelhessen

IBAN: DE82 513 900 0000 0000 6262
BIC: VB MH DE 5F

অনলাইনে অনুদান করুন

অবশ্যই আপনি আপনার অনুদানের জন্য একটি রশিদ পাবেন। এ কারণেই দয়া করে আপনার ঠিকানা সম্পর্কে আমাদেরকে অবহিত করুন।

Right to education

Right to education

With a donation of only 46 euros, you give one child the chance to go to school.

যোগাযোগ

NETZ Bangladesh, Country Office

House 3/1 (4th floor), Block D Lalmatia, Dhaka 1207
info@remove-this.netz-bangladesh.de
Phone: +88 02 9146458

We select partners and projects ourselves. We do not respond to any inquires regarding project proposal or fund request.